Free Delivery on Orders Above ৳3,000 | Use Code: NOOR30

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর হবে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করেছে সরকার। এর ফলে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত এ ব্যবস্থা আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট তফশিলি ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর হবে। সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় গ্রাহকের দেওয়া ব্যাংক হিসাব তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)’ কর্মসূচির আওতায় এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন বর্তমানে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এনএসসি সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এনএসসি সিস্টেমে বর্তমানে নিবন্ধিত একক গ্রাহক ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা আগে থেকেই থাকলেও এবার যুক্ত হলো ব্যাংক হিসাব যাচাই।

আগে গ্রাহকের দেওয়া হিসাব নম্বরই সরাসরি সিস্টেমে যুক্ত করা হতো। কোনো সংখ্যা ভুল হলে ইএফটি ফেরত আসত এবং তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীর ভোগান্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের চাপ বাড়ত। ভুল নম্বরের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও ছিল।

নতুন ব্যবস্থায় হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট তফশিলি ব্যাংকের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কিনা এবং পরে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে লেনদেনের আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস ব্যবহার করা হবে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, বিনিয়োগকারীর ভোগান্তি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতিরিক্ত কাজ কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে প্রকৃত হিসাবধারীর হিসাবে পাঠানো সহজ হবে।

অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হবে এবং গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ও সঠিক সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করেছে সরকার। এর ফলে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত এ ব্যবস্থা আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট তফশিলি ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর হবে। সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় গ্রাহকের দেওয়া ব্যাংক হিসাব তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)’ কর্মসূচির আওতায় এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন বর্তমানে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এনএসসি সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এনএসসি সিস্টেমে বর্তমানে নিবন্ধিত একক গ্রাহক ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা আগে থেকেই থাকলেও এবার যুক্ত হলো ব্যাংক হিসাব যাচাই।

আগে গ্রাহকের দেওয়া হিসাব নম্বরই সরাসরি সিস্টেমে যুক্ত করা হতো। কোনো সংখ্যা ভুল হলে ইএফটি ফেরত আসত এবং তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীর ভোগান্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের চাপ বাড়ত। ভুল নম্বরের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও ছিল।

নতুন ব্যবস্থায় হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট তফশিলি ব্যাংকের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কিনা এবং পরে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে লেনদেনের আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস ব্যবহার করা হবে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, বিনিয়োগকারীর ভোগান্তি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতিরিক্ত কাজ কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে প্রকৃত হিসাবধারীর হিসাবে পাঠানো সহজ হবে।

অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হবে এবং গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ও সঠিক সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *